রাঙামাটির নানিয়ারচরে শনখোলাপাড়া যুব পুতপুত্যা ক্লাবের উদ্যোগে এবং উপজেলা সরকারি নিবন্ধিত যুব ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় আয়োজিত রাধামোহন চাকমা স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর পর্দা নেমেছে।
বুধবার (১২ আগস্ট) বিকেলে শনখোলাপাড়া মাঠে টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী ম্যাচে সুরিদাশপাড়া ফুটবল দলকে ৬-৩ গোলে হারিয়ে জয় পায় যাত্রামনি কার্বারীপাড়া ফুটবল দল।
টুর্নামেন্টের উদ্বোধন করেন নানিয়ারচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি রাজীব দাশ পুরকায়স্থ।
শনখোলাপাড়া যুব পুতপুত্যা ক্লাবের সভাপতি ও ১ নম্বর সাবেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শোভা রঞ্জন চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন নানিয়ারচর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান অমর জীবন চাকমা, সাবেক্ষ্যং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুপন চাকমা, নানিয়ারচর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাপ্পি চাকমা, বুড়িঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রমোদ খীসা, ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অমল কান্তি চাকমা এবং নানিয়ারচর উপজেলার সরকারি নিবন্ধিত যুব ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বিভায়ন চাকমা।
শনখোলাপাড়া যুব পুতপুত্যা ক্লাবের সদস্য তৃণয়ন চাকমার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা সুবিনয় চাকমা, উপজেলা প্রাইমারি এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টারের ইন্সট্রাক্টর সরওয়ার কামাল, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান খান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ধীমান চাকমা, যুব ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রিপন জ্যোতি চাকমা, কোষাধ্যক্ষ ইমন চাকমাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
উদ্বোধনী বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব দাশ পুরকায়স্থ বলেন, নানিয়ারচরে জাতীয় পর্যায়ের খেলোয়াড় রয়েছেন, যা উপজেলার জন্য গর্বের বিষয়। খেলোয়াড়দের উন্নয়নে জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে।
তিনি বলেন, সম্প্রতি বিশ্বকাপ শেষ হলেও ফুটবল নিয়ে মানুষের আগ্রহ এখনো রয়েছে। এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে শনখোলাপাড়া যুব পুতপুত্যা ক্লাব ও উপজেলা সরকারি নিবন্ধিত যুব ক্লাব অ্যাসোসিয়েশনের উদ্যোগে এ আয়োজন প্রশংসনীয়।
রাজীব দাশ পুরকায়স্থ আরও বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়াবান্ধব সরকার। খেলাধুলার উন্নয়নে যেকোনো সহযোগিতার প্রয়োজন হলে নানিয়ারচর উপজেলা প্রশাসন পাশে থাকবে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। পরে ক্ষুদে শিল্পীদের নৃত্য ও ডিসপ্লে প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী আয়োজন সম্পন্ন হয়।
