গাইবান্ধায় মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ৪০ গ্রাম শুকনা গাঁজা ও দুটি কাঁচা গাঁজার গাছসহ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। এ সময় গাঁজা সেবনের সরঞ্জাম, গাঁজা মাপার যন্ত্র ও ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামও জব্দ করা হয়।
পুলিশ সুপার, গাইবান্ধার সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জের নেতৃত্বে ডিবির একটি চৌকস দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৩ আগস্ট রাত ১টা ৪০ মিনিটে গাইবান্ধা সদর উপজেলার ৪ নম্বর সাহাপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাউলারপাড়া গ্রামে অভিযান চালায়।
অভিযানে পলাতক আসামি মো. সাদেকুল ইসলাম ওরফে সাদেকের বসতবাড়িতে মাদক ক্রয়-বিক্রয় ও সেবনের সময় মো. সবুজ আকন্দ (৩২)কে আটক করা হয়। তার পরিহিত লুঙ্গির সামনের কোচর থেকে সাদা পলিথিনে মোড়ানো ৪০ গ্রাম শুকনা গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, জিজ্ঞাসাবাদে সবুজ আকন্দ সাদেকুল ইসলাম ওরফে সাদেকের গাঁজা ব্যবসা ও সেবনের সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য দেন। পরে সবুজের দেখানো মতে সাদেকের বাড়ির আঙিনা থেকে দুটি কাঁচা গাঁজার গাছ, গাঁজা সেবনের সরঞ্জাম, গাঁজা মাপার যন্ত্র এবং ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম উদ্ধার করে জব্দ করা হয়।
এরপর ১৩ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টা ১৫ মিনিটে গাঁজার গাছ উদ্ধারের মামলার পলাতক আসামি মো. সাদেকুল ইসলাম ওরফে সাদেক (৫১)কে তার নিজ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তার সবুজ আকন্দের বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে তিনটি মাদক মামলা এবং সাদেকুল ইসলামের বিরুদ্ধে একটি মাদক মামলা রয়েছে।
এ ঘটনায় গাইবান্ধা সদর থানায় মামলা নম্বর-৩৭, তারিখ ১৩ আগস্ট ২০২৬; মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।
এদিকে, ১২ আগস্ট রাত আনুমানিক ৯টা ৩০ মিনিটে গাইবান্ধা সদর থানাধীন উত্তর ফোলিয়া এলাকায় একটি কেরাম ঘরের ভেতর ইয়াবা সেবনের অভিযোগে মো. রনি মিয়া (২৪)-এর বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬(৫) ধারায় আদালতে প্রসিকিউশন দাখিল করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।
