১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার অন্যতম ভিত্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে রাজধানীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজাদী উদযাপন জাতীয় কমিটির উদ্যোগে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
মানববন্ধন থেকে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্টকে বাংলাদেশের ‘প্রথম স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি দিনটিকে সরকারি ছুটি ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান উপমহাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। এই দিনটির ঐতিহাসিক গুরুত্বকে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।
একই সঙ্গে ব্রিটিশ শাসনের প্রায় ১৯০ বছরে উপমহাদেশ থেকে লুট করে ব্রিটেনে নিয়ে যাওয়া সম্পদ ক্ষতিপূরণসহ ফেরত আনার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি ঔপনিবেশিক আমলের আইন ও আমলাতান্ত্রিক কাঠামো বিলুপ্ত করারও দাবি তোলেন আয়োজকরা।
কর্মসূচি থেকে আজাদী উদযাপন জাতীয় কমিটি জানায়, ব্রিটিশ উপনিবেশের অবসান উপলক্ষে ১৪ ও ১৫ আগস্ট রাজধানীর শাহবাগে শহীদ ওসমান হাদী চত্বরে দুই দিনব্যাপী ‘আজাদী উৎসব’ আয়োজন করা হবে। প্রতিদিন বিকেল ৩টা থেকে এ কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে বিজয় ও স্বাধীনতার ইতিহাস স্মরণ করতেই এ উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে নতুন সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সূচনা করার লক্ষ্য রয়েছে।
আজাদী উদযাপন জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক মো. আব্দুল জব্বারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য দেন জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান, মুসলিম লীগ নেতা জহির উদ্দীন মোহাম্মদ বাবর, ওয়ার্ল্ড মুসলিম মুহাজির রাইটসের চেয়ারম্যান আবদুল ওয়াহিদ, বাংলাদেশ মুসল্লী কমিটির চেয়ারম্যান আমির আলী হাওলাদার, বাংলাদেশ আগস্ট বিপ্লবের সভাপতি সেলিম রেজা বাচ্চু, বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের আহ্বায়ক আবদুল ওয়াহেদ, তারেক রহমান শাওন ও প্রবাসী নেতা আবু ইউসুফসহ অনেকে।
এ সময় জাতীয় বিপ্লবী পরিষদের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাইদুল ইসলাম এবং বিপ্লবী ছাত্র পরিষদের সমন্বয়ক আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
