লালমনিরহাট সদর উপজেলার মহেন্দ্রনগর খাল এবং কুলাঘাট ইউনিয়নে ধরলা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের সম্ভাব্য উদ্বোধনস্থল পরিদর্শন করেছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ। প্রধানমন্ত্রীর সম্ভাব্য সফরকে সামনে রেখে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) তিনি এসব স্থান পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী মহেন্দ্রনগর খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের স্থান সরেজমিনে পরিদর্শন করেন। পরে লালমনিরহাট সদর উপজেলা শহর ও জনপদকে ধরলা নদীর ভাঙন থেকে রক্ষায় সদ্য জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) অনুমোদন পাওয়া ২৯৮ কোটি ৬৪ লাখ টাকা ব্যয়ে তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের সম্ভাব্য উদ্বোধনস্থল ঘুরে দেখেন।
এ সময় প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী যথাযথ মান বজায় রেখে বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “ধরলা নদীর ভাঙন থেকে লালমনিরহাটের জনপদ, মানুষের বসতভিটা, কৃষিজমি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষা করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নদীভাঙনজনিত ক্ষয়ক্ষতি কমানোর পাশাপাশি এলাকার মানুষের জীবন-জীবিকা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অবহেলা করা যাবে না।”
পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সরকারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, “তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে বিস্তারিত সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা করা হচ্ছে। সমীক্ষার ফলাফল, কারিগরি দিক এবং এ অঞ্চলের মানুষের চাহিদা ও স্বার্থ বিবেচনায় নিয়ে দ্রুততম সময়ে উপযোগী প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।”
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, তিস্তা অববাহিকার মানুষের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ, নদীভাঙন ও বন্যার ক্ষয়ক্ষতি হ্রাস এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে কার্যকর ও টেকসই পরিকল্পনা গ্রহণে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।
পরিদর্শনকালে লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক, জেলা পরিষদের প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান প্রকৌশলীসহ স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মী, প্রশাসনের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সূত্র: বিএনপি মিডিয়া সেলের (BNP Media Cell) ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে জানানো হয়েছে।


