ঢাকাSunday , 13 September 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. চাকরি
  10. ঢাকা বিভাগ
  11. ধর্ম
  12. প্রযুক্তি সময়
  13. বরিশাল বিভাগ
  14. বানিজ্য
  15. বাংলাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সেই কিশোরী ধর্ষন মামলা ১০ দিন পার হলেও গ্রেপ্তার হয়নি মাদ্রাসা পরিচালক

Link Copied!

গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পোড়াবাড়ী গ্রামে দিনের দিশারী মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের সেই কিশোরী ধর্ষন মামলা ১০ দিন পর গতকাল শুক্রবার রাতে মামলা হয়েছে। কিন্তু অভিযুক্ত মাদ্রাসাটির পরিচালক হাছান আলী ডাক্তারকে এখনও গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।

Advertisement

কিশোরির পরিবার জানায়, গতকাল রাতে থানায় হেফাজতে থাকার পর আজ শনিবার সকালে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয় ওই কিশোরীকে। দুপুরে পরীক্ষা শেষে নিয়ে যাওয়া হয় আদালতে। বিকেলে জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট পলী রানী ২২ ধারায় ওই কিশোরীর জবান বন্দি রেকর্ড করেন।

এদিকে, পুলিশের একটি নির্ভরযোগ্য সুত্র বলছে, গতকাল রাতে তাকে ধরতে পুলিশ রওনা করেছে, এখবর আগেই পায় অভিযুক্তের এক ঘনিষ্টজন। ফলে তাকে ধরতে পারেনি পুলিশ।পরে গভীর রাত পর্যন্ত অভিযুক্তকে না ধরতে লবিং তদবীর চলছে৷

Advertisement

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন প্রতিবেশীদের সাথে কথা বলে এমন খবরের সত্যতাও মিলেছে।
তারা বলছেন, গতকাল শুক্রবার রাতে হাছান আলী ডাক্তার তার নিজ বাড়ীতেই ছিলেন। রাত ১২ টার পর পুলিশ এসে ঘুরে গেছে,তাকে ধরতে পারেনি।

কিশোরীর পরিবারের অভিযোগ, থানায় ধর্ষন মামলা দিতে গেলে তারা মামলা নেয়নি। পরে কালক্ষেপন করে ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ করতে বলা হয়। এরপর ধর্ষন চেষ্টার অভিযোগ দেওয়ার পরেও পুলিশ মামলা নেয়নি।

Advertisement

পরিবারটির দাবি, ধর্ষিতার আলামত নষ্ট করতেই মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে ধর্ষককে বাঁচাতে ১০ দিন পরেও মামলা নেয়নি থানার ওসি নাজমুল হুদা। পরে উপায়ন্তর না পেয়ে শুক্রবার সকালে অভিযুক্তের বাড়ীতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেয় ওই কিশোরী। এরপর বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নড়েচড়ে বসে পুলিশ।

পরে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে আসেন এবং ওসিকে মামলা রের্কডের নির্দেশ দেন।

কিশোরী জানায়, গত ২৮ আগষ্ট শুক্রবার ফজরের নামাজের পর সকাল ৬ টার দিকে পরিচালক তাকে মাদ্রাসা সংলগ্ন নিজ বাড়ীতে ডেকে নেন। এসময় মুখ চেপে ধরে কিশোরীকে ধর্ষন করেন পরিচালক হাসান আলী ডাক্তার। এরপর এঘটনা অন্য কাউকে জানালে ওই কিশোরী কে হত্যা সহ লাশ গুম করার হুমকি দেন পরিচালক। পরে মোবাইল ফোনে ঢাকায় থাকা তার বাবা মা কে বিষয়টি জানালে কিশোরীর বাবা মা গত ৩১ আগষ্ট গাইবান্ধায় এসে ওই মাদ্রাসায় গিয়ে মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে পহেলা সেপ্টেম্বর সদর থানায় ধর্ষনের অভিযোগ দায়ের করেন।

এবিষয়ে থানার ওসি নাজমুল হুদা বলেন, গতকাল রাতেই ধর্ষনের মামলা হয়েছে। নম্বর ২২। ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা শেষে ২২ ধারায় জবানবন্দির জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। আসামীকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

জানতে চাইলে গাইবান্ধার পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বলেন, আসামী পালিয়ে থাকার চেষ্টা করবেই। তবে তাকে ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
design and development by: Kishor Kumar