ঢাকাFriday , 11 September 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. চাকরি
  10. ঢাকা বিভাগ
  11. ধর্ম
  12. প্রযুক্তি সময়
  13. বরিশাল বিভাগ
  14. বানিজ্য
  15. বাংলাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসার হাফেজা কিশোরী ধর্ষণ

Link Copied!

১০ দিনেও মামলা নেয়নি থানার ওসি

গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পোড়াবাড়ী গ্রামে দিনের দিশারী মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে মাদ্রাসাটির পরিচালক হাছান আলী ডাক্তারের বিরুদ্ধে।

Advertisement

তবে অভিযোগ উঠেছে, ধর্ষককে বাঁচাতে ১০ দিন পরেও মামলা নেয়নি থানার ওসি নাজমুল হুদা। পরে উপায়ন্তর না পেয়ে শুক্রবার সকালে অভিযুক্তের বাড়িতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেয় ওই কিশোরী। এরপর বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নড়েচড়ে বসে পুলিশ।

পরে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে আসেন এবং ওসিকে মামলা রেকর্ডের নির্দেশ দেন।

Advertisement

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত প্রায় ৮ বছর পূর্বে ওই মাদ্রাসায় হেফজ আবাসিক শাখায় ভর্তি করে দিয়ে ওই কিশোরীর বাবা-মা কর্মের তাগিদে ঢাকায় চলে যান। প্রতিমাসে ঢাকা থেকে মাদ্রাসার পরিচালকের মোবাইলে খরচ পাঠান তারা। এভাবে চলতে থাকলে গত ৬ মাস আগে ওই কিশোরীকে নানা ভাবে কুপ্রস্তাব দেন পরিচালক হাসান আলী ডাক্তার।

এ ঘটনা কিশোরী তার বাবা-মাকে মোবাইলে জানালে সেসময় পরিচালক মৌখিকভাবে ভুল স্বীকার করে, এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে অঙ্গীকার করেন।

Advertisement

কিশোরী জানায়, গত ২৮ আগস্ট শুক্রবার ফজরের নামাজের পর সকাল ৬টার দিকে পরিচালক তাকে মাদ্রাসা সংলগ্ন নিজ বাড়িতে ডেকে নেন। এসময় মুখ চেপে ধরে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন পরিচালক হাসান আলী ডাক্তার। এরপর এ ঘটনা অন্য কাউকে জানালে ওই কিশোরীকে হত্যা সহ লাশ গুম করার হুমকি দেন পরিচালক। পরে মোবাইল ফোনে ঢাকায় থাকা তার বাবা-মাকে বিষয়টি জানালে কিশোরীর বাবা-মা গত ৩১ আগস্ট গাইবান্ধায় এসে ওই মাদ্রাসায় গিয়ে মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে পহেলা সেপ্টেম্বর সদর থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন।

পরিবারটির অভিযোগ, দশ দিনেও মামলা নেয়নি থানার ওসি নাজমুল হুদা।

এ বিষয়ে থানার ওসি নাজমুল হুদা বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছিল। বর্তমানে ভিকটিম থানায় হেফাজতে আছে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি চলছে।

জানতে চাইলে জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, বিয়ের দাবিতে অনশনে থাকা ওই কিশোরীকে থানায় আনা হয়েছে। ওসিকে মামলা রেকর্ড সহ দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
design and development by: Kishor Kumar