নোয়াখালীর হাতিয়ায় তমরদ্দি লঞ্চ ঘাটে দখলে নিতে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তানভীর গ্রুপের হামলায় দলীয় কার্যালয়, বসতবাড়ি ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষের ঘটনায় হাসেম সর্দার, কামরুলসহ ১২ জন আহত হয়েছেন।
আহতদের মধ্যে লায়লা বেগম নামে এক নারীর অবস্থা সংকটাপন্ন। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য নোয়াখালী সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়! পরবর্তীতে অবস্থার আরও অবনতি ঘটলে তাঁকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে বলে জানান লায়লা বেগমের ভাতিজা নুর ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয় বিএনপি নেতা তানভীর হায়দারের একটি সশস্ত্র গ্রুপ ঘাটের নিয়ন্ত্রণ নিতে লঞ্চ ঘাটে অবস্থান নেয় এবং ঘাটের শ্রমিকদের উপর দেশীয় অশ্র নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। এতে অন্তত ১২ জন আহত হয়। তানভীর হায়দারের গ্রুপ ঘাট সংলগ্ন শ্রমিক আজগরের বাড়ী ভাংচুর করে।
উপজেলা বিএনপি নেতা জনাব মোঃ আলমগীর জানান, পতিত গডফাদার মোহাম্মদ আলীর দোসরদের সহায়তায় স্থানীয় বিএনপি নেতা তানভীরের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্রুপ ঘাটে অবস্থানরত নিরীহ শ্রমিকদের বেধড়ক পিটিয়ে ও কুপিয়ে আহত করে। পাশ্ববর্তী বাড়ীঘরে হামলা চালায়। তাদের হামলায় স্থানীয় বিএনপি অফিসও রেহাই পায়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বিএনপি কর্মী জানান, পতিত হাসিনা সরকারের সময়ও বিএনপি নেতা তানভীর গোপনে সমঝোতা করে সকল সুযোগ সুবিধা ভোগ করেছেন এবং নিয়মিত মোহাম্মদ আলীর বাসায় যাতায়াত ছিল।
স্থানীয়রা জানান, সংঘর্ষে সাধারণ পথচারী ও যাত্রীদের মধ্যে ভীতিকর পরিবেশ সৃষ্টি হলে
খবর পেয়ে নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশ ঘটনাস্থলে এলে হেলমেট পরিহিত বহিরাগত সন্ত্রাসীরা দৌড়ে ও নদীতে ঝাপ দিয়ে ইঞ্জিন বোটে পালিয়ে যায়।
ঘাট দখলের বিষয়ে জানতে বিএনপি নেতা তানভীর হায়দারের সাথে বেশ কয়েক বার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।


