ঢাকাMonday , 7 September 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. চাকরি
  10. ঢাকা বিভাগ
  11. ধর্ম
  12. প্রযুক্তি সময়
  13. বরিশাল বিভাগ
  14. বানিজ্য
  15. বাংলাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

গাইবান্ধায় ধর্ষণ ও নির্যাতনের মামলার পলাতক আসামি নারায়ণগঞ্জে র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

Link Copied!

গাইবান্ধায় ধর্ষণ, ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যার উদ্দেশ্যে মারধরের অভিযোগে দায়ের করা মামলার পলাতক এক আসামিকে নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। গ্রেপ্তার ব্যক্তি মো. মিজানুর রহমান শেখ (২৭)। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার পঞ্চবটি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

Advertisement

মামলার এজাহার ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১৬ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে গাইবান্ধা সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের শিবপুর গ্রামে ঘটনাটি ঘটে। মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ওই দিন এক নারীকে মিজানুর রহমান শেখের বাড়ির একটি কক্ষে নিয়ে ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টা করা হয়। এ সময় ওই নারী বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয়। এতে তিনি সাধারণ ও গুরুতর জখম হয়েছেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

ঘটনার পর ন্যায়বিচারের দাবিতে ভুক্তভোগী নারী মোছা. আরজিনা বেগম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১, গাইবান্ধায় নালিশি আবেদন করেন। আদালত অভিযোগ ও সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র পর্যালোচনা করে সেটিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করার নির্দেশ দেন। পরে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী গাইবান্ধা সদর থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়।

Advertisement

মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩)-এর ৯(১)/৯(৪)(খ) ধারার পাশাপাশি দণ্ডবিধির ৩০৭, ৩২৩ ও ৩২৫ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

মামলা হওয়ার পর গ্রেপ্তার এড়াতে মিজানুর রহমান গাইবান্ধা ছেড়ে নারায়ণগঞ্জে গিয়ে আত্মগোপন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। পরে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব তার অবস্থান শনাক্ত করে। এরই ধারাবাহিকতায় ফতুল্লার পঞ্চবটি মোড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়।

Advertisement

র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তারের পর প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মিজানুর রহমানকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

আদালতের নির্দেশে মামলাটির তদন্ত করছেন গাইবান্ধা সদর থানার সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) আশাদুল ইসলাম। তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনার প্রকৃত কারণ, অভিযোগের সত্যতা, ভুক্তভোগীর ওপর নির্যাতনের ধরন এবং মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মামলার এজাহারে সাক্ষী হিসেবে মো. আজিম শেখ, মো. ফেরদৌস, মো. শাহীন ইসলাম, মো. আব্দুস ছামাদ, মো. হোসাইন শেখ, মো. তাজুল ইসলাম ও মো. ফরিদুল ইসলামসহ আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের ঠিকানা হিসেবে গাইবান্ধা সদর উপজেলার শিবপুর ও ভাজিনার খামার এলাকার কথা উল্লেখ রয়েছে।

অভিযোগকারী পক্ষ জানিয়েছে, সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটন করে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ শাস্তির দাবিও জানিয়েছে তারা।

তবে মামলায় করা অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে অভিযোগের সত্যতা নির্ধারিত হবে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।