পাটোয়ারীকে এত ভয় কেন? খুব তো গলা উঁচু করে বলেছিলেন, ‘ঐসব বাচ্চাদের গোনার টাইম নাই।’ তাহলে?
পাণ্ডারা এই বাচ্চার ওপর পাঁচবার হামলা করল। এতেই তো বোঝা যায়, এই বাচ্চা আপনাদের চাঁদাবাজি, দুর্নীতির সাম্রাজ্য গুঁড়িয়ে তছনছ করে দিচ্ছে। এই জন্যই তো ভয়। জনগণ তো এখন সব বুঝতে পারছেন।
একটা ক্ষমতাসীন দল, বিরোধী দলের একজন নেতাকে কতটা ভয় পেলে ক্ষমতা দখলের ৭ মাসের মধ্যে ৫ বার হামলা করে?
পাটোয়ারী সাহেব স্পষ্ট কথা বলেন বলে সবার কাছে শত্রুতে পরিণত হয়েছেন। কিন্তু তিনি যে কথাগুলো বলেন, সবই সত্য কথা বলেন। এমন সত্য কথা সব নেতার মুখ দিয়ে বের হয় না। সত্য কথাটা সবার সামনে বলে দেওয়াটাও একটা হিম্মতের ব্যাপার। বারবার সেই হিম্মত দেখিয়েছেন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী সাহেব।
লন্ডনের মূর্খ এবং শিলংয়ের পালিয়ে যাওয়া ভারতের দালাল বুড়া প্ল্যান করেছেন যে কোনোভাবেই নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে সরিয়ে ফেলার জন্য। না হলে একটা মানুষের ওপর এতবার হামলা কেউ করে?
হাদি চলে যাওয়ার পর সবচেয়ে স্পষ্টবাদী ব্যক্তি হচ্ছে নাসির উদ্দিন পাটোয়ারী। বলতে গেলে এখন বিএনপির জম।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের চাটুকার-তেলবাজ পর্যন্ত সবার চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোচ্চার পাটোয়ারী।
পাটোয়ারীকে দমিয়ে রাখা যাবে না, পাটোয়ারী কারও ভাড়াটিয়া দালাল নয়, উনি বাংলাদেশের নেতা! জনগণের নেতা!
জনগণের অধিকার আদায় এবং সর্বসাধারণের মনের কথা প্রকাশ করার জন্য একজন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীই যথেষ্ট।
বিএনপির দুর্নীতি, অনিয়ম, চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে একমাত্র বাধা পাটোয়ারী।
একজন নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীকে এত ভয় পাওয়ার কারণ কী? এরকম হাজার হাজার নাসির উদ্দিন বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে জন্মগ্রহণ করেছেন। আপনারা কয়জনকে দমন করে রাখবেন?
অবশ্য নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর ওপর এমন হামলা হওয়াতে দেশব্যাপী তার জনপ্রিয়তা বেড়ে যাচ্ছে।
পাটোয়ারী সাহেবের মার্কেট ভ্যালু বিএনপি সরকার বাড়িয়ে দিচ্ছেন।
নিশ্চয়ই পাটোয়ারী সাহেবকে বর্তমান সরকার গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে দেখছেন। কারণ ইতিপূর্বে দেখেছি, সরকারপক্ষ যাকে ভয় পায়, তাকে দমন করার জন্যই বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে থাকেন।


