বিএনপির মিডিয়া সেলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক পোস্টে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ রবিবার (২৩ আগস্ট ২০২৬) বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে ‘নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনী নির্বাচনী পর্ষদ ২০২৬’-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।
নির্বাচনী পর্ষদের বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে স্মরণ করেন। একই সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধের সব শহীদ, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সব শহীদ এবং ১৯৭১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার বিভিন্ন আন্দোলনে নিহত ও আহতদের অবদানের কথা কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন তিনি।
মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সশস্ত্র বাহিনীর শহীদসহ সব বীর সেনানীর আত্মত্যাগের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

পদোন্নতির ক্ষেত্রে রাজনৈতিক মতাদর্শ এবং ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থেকে কর্মকর্তাদের পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলা, সততা, বিশ্বস্ততা, আনুগত্য ও নিযুক্তিগত উপযুক্ততাকে গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশনা দেন তিনি।
দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহযোগিতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বিমান বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য বাহিনী দুটির প্রধানসহ সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।
পরে বিমান বাহিনীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনাল স্থাপনা পরিদর্শন করেন তারেক রহমান। এ সময় তিনি আকাশ প্রতিরক্ষা পরিচালন কেন্দ্র, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন (ADSI), এয়ার কমান্ড অপারেশন সেন্টার (ACOC) এবং এ্যারোস্পেস রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট কমপ্লেক্স (ARDC)-এর বিভিন্ন কার্যক্রম সরেজমিনে প্রত্যক্ষ করেন।
এ ছাড়া বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর নিজস্ব প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় প্রস্তুত UAV (Drone, Kamikaze Drone, Interceptor Drone ও VTOL)-সহ বিভিন্ন আধুনিক উড্ডয়ন ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী।
গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত আত্মনির্ভরতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সক্ষমতা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
