আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে অনুষ্ঠিত হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ওই দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ সদস্যরা ভোট দেবেন। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৪৯ জন।
যেভাবে ভোট দিতে হবে
১. নির্ধারিত সময়ে সংসদ কক্ষে প্রবেশ
দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে সংসদ কক্ষে গিয়ে ভোট দিতে হবে। এ সময় বিরতিহীনভাবে ভোটগ্রহণ চলবে।
২. পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখা
সংসদ কক্ষে প্রবেশের সময় সংসদ সচিবালয় থেকে দেওয়া নিজস্ব পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে।
৩. ব্যালট সংগ্রহ
নিজ নিজ আসনে বসার পর সহায়তাকারী কর্মকর্তার কাছ থেকে ভোটারের নাম ও বিভক্তি নম্বরযুক্ত ব্যালট পেপার সংগ্রহ করতে হবে। ব্যালটের কাউন্টার ফয়েল বা চেকমুড়িতে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখে সেটি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে।
৪. পছন্দের প্রার্থীকে ভোট
ব্যালট পেপারে প্রার্থীদের নামের বিপরীতে নির্ধারিত স্থানে ভোটারের পূর্ণ নাম লিখে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে হবে।
৫. ব্যালট বাক্সে জমা
ভোট দেওয়া শেষ হলে ব্যালট পেপারটি সংসদ কক্ষে রাখা নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে ফেলতে হবে।
৬. ব্যালট নষ্ট হলে
কোনো কারণে ব্যালট পেপার নষ্ট বা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে গেলে সেটি ব্যালট বাক্সে না দিয়ে নির্বাচনকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। এরপর নির্বাচনকর্তা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
৭. নির্বাচনী প্রচার করা যাবে না
ভোটগ্রহণের সময় সংসদ সদস্যদের বৈঠকে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচার, বক্তব্য বা ভাষণ দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
৮. সমস্যা হলে চিফ হুইপের সহায়তা
ভোট দেওয়ার সময় কোনো জটিলতা দেখা দিলে চিফ হুইপ কিংবা বিরোধী দলের চিফ হুইপের সহযোগিতা নেওয়া যাবে।
৯. পূর্ণ নাম লিখতে হবে
ব্যালট পেপারে ভোটারের পূর্ণ স্বাক্ষরের পরিবর্তে নির্ধারিত স্থানে পূর্ণ নাম লিখতে হবে।
যেভাবে ফলাফল ঘোষণা হবে
বিকেল ৫টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পরই ব্যালট গণনার কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথমে মোট কতজন ভোট দিয়েছেন, কতটি ব্যালট বৈধ ও বাতিল হয়েছে এবং কতটি ব্যালট অব্যবহৃত রয়েছে—এসব হিসাব করা হবে।
এরপর বৈধ ব্যালট থেকে প্রত্যেক প্রার্থী কত ভোট পেয়েছেন, তা গণনা করা হবে। সর্বাধিক বৈধ ভোট পাওয়া প্রার্থীকে নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি হিসেবে ঘোষণা করবেন নির্বাচনকর্তা। পরে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ফলাফলের গেজেট প্রকাশ করা হবে।
দীর্ঘ ৩৫ বছর পর এবারই আবার রাষ্ট্রপতি পদে সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
