ঢাকাTuesday , 27 October 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. চাকরি
  10. ঢাকা বিভাগ
  11. ধর্ম
  12. প্রযুক্তি সময়
  13. বরিশাল বিভাগ
  14. বানিজ্য
  15. বাংলাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ সাবেক মিস সুইজারল্যান্ডের, অস্বীকার হোয়াইট হাউসের

Link Copied!

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ তুলেছেন সাবেক মডেল ও মিস সুইজারল্যান্ড বিয়াত্রিস কিউল। তাঁর অভিযোগ, ১৯৯৩ সালে নিউইয়র্কের প্লাজা হোটেলে ট্রাম্প তাঁকে ধর্ষণ করেছিলেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউস।

Advertisement

মার্কিন প্রতিনিধি পরিষদের ডেমোক্র্যাট সদস্যদের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে সম্প্রতি এ অভিযোগের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে ট্রাম্পের সঙ্গে যৌন অপরাধে অভিযুক্ত জেফরি এপস্টেইনের সম্পর্ক এবং এপস্টেইনের অপরাধের সঙ্গে ট্রাম্পের সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতা নিয়ে তদন্তের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। এ তথ্য প্রকাশ করেছে সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফ।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে কিউল অভিযোগ করেছিলেন, ১৯৯৩ সালের নভেম্বরে প্লাজা হোটেলে ট্রাম্প তাঁকে যৌন হয়রানি করেছিলেন। এবার ডেমোক্র্যাট কমিটির কর্মীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, ওই সময় তাঁকে ধর্ষণও করা হয়েছিল।

Advertisement

কিউলের বক্তব্য অনুযায়ী, তাঁর বয়স যখন ২৪ বছর, তখন একটি সুন্দরী প্রতিযোগিতার সংবাদ সম্মেলনে প্লাজা হোটেলে ট্রাম্পের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। সে সময় হোটেলটির মালিক ছিলেন ট্রাম্প। কিউলের দাবি, ট্রাম্প তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে ভিসা পেতে সহায়তা এবং নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ট্রাম্পের সঙ্গে পরিচয়ের পরপরই এপস্টেইন কিউলের কাছে আসেন। এপস্টেইন নিজেকে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচয় দিয়ে তাঁকে ফ্লোরিডার মার-আ-লাগোতে একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানান বলে কিউল দাবি করেছেন।

Advertisement

কিউলের অভিযোগ, পরে ট্রাম্পের এক প্রতিনিধি তাঁকে প্লাজা হোটেলের ওপরের তলায় ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে আমন্ত্রণ জানান। সেখানে যাওয়ার পর ট্রাম্প তাঁর ওপর জোরপূর্বক যৌন নির্যাতন চালান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। ঘটনার পর ট্রাম্প তাঁকে ভিসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ব্যবস্থা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনরায় দেন এবং বিষয়টি গোপন রাখার কথা বলেন বলেও অভিযোগ করেছেন কিউল।

এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে ডেইলি মেইল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কিউল ট্রাম্পের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছিলেন। সে সময় তাঁর বক্তব্য ছিল, ট্রাম্প তাঁকে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে চুমু দিয়েছিলেন, পোশাক সরানোর চেষ্টা করেছিলেন এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ করেছিলেন। তবে ওই সময় তিনি বলেছিলেন, ঘটনাটি এর চেয়ে বেশি দূর গড়ায়নি।

প্রতিবেদনে কিউলের এক দীর্ঘদিনের বন্ধুর বক্তব্যও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই বন্ধুর দাবি, কিউল প্রায় দুই দশক আগেই তাঁকে ট্রাম্পের কথিত অনাকাঙ্ক্ষিত আচরণের কথা জানিয়েছিলেন। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন যাচাই সম্পর্কে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য স্পষ্ট নয়।

অন্যদিকে, ট্রাম্পের পক্ষ থেকে অভিযোগগুলো প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। হোয়াইট হাউসের একজন মুখপাত্র এগুলোকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর দাবি, ট্রাম্পের প্রশাসনের সাফল্য থেকে মার্কিন নাগরিকদের মনোযোগ সরাতেই ডেমোক্র্যাটরা এমন অভিযোগ সামনে আনছেন।

ট্রাম্প এর আগে এপস্টেইনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্বের সম্পর্ক অপরাধসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশের আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল বলে দাবি করেছেন। এপস্টেইনকে তিনি বিভিন্ন সময়ে নেতিবাচকভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তাঁকে মার-আ-লাগো ক্লাব থেকে বের করে দেওয়ার কথাও বলেছেন।

প্রতিবেদনে আরও চার নারীর বক্তব্যের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়েছে। তাঁদের কয়েকজনও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি, সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজনকে ব্যবহার করে তরুণী ও কিশোরীদের লক্ষ্যবস্তু করা হতো বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

প্রতিবেদন প্রকাশের পর ডেমোক্র্যাট সদস্য জেমি রাসকিন বলেন, পাঁচ নারী সরাসরি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ধর্ষণ বা যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেছেন। তাঁদের বক্তব্যের পাশাপাশি এপস্টেইন ও ঘিসলেন ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে নারীদের ট্রাম্পের কাছে পাঠানোর চেষ্টার অভিযোগও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে এ প্রতিবেদন প্রকাশের ঘটনা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে। এপস্টেইন-সংক্রান্ত নথি নিয়ে বিতর্কের পাশাপাশি অর্থনৈতিক পরিস্থিতি ও জ্বালানির দাম নিয়ে অসন্তোষও রিপাবলিকানদের জন্য রাজনৈতিক আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।

তবে প্রতিবেদনে উত্থাপিত অভিযোগগুলোকে প্রমাণিত ঘটনা হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। অভিযোগের বিষয়ে ট্রাম্পের পক্ষের অস্বীকৃতিও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।
design and development by: Kishor Kumar