ঢাকাThursday , 6 August 2026
  1. অর্থনীতি
  2. আইন আদালত
  3. আবহাওয়া
  4. ইসলাম
  5. খেলা
  6. চট্টগ্রাম বিভাগ
  7. চাকরি
  8. ঢাকা বিভাগ
  9. ধর্ম
  10. প্রযুক্তি সময়
  11. বরিশাল বিভাগ
  12. বানিজ্য
  13. বাংলাদেশ
  14. বিনোদন
  15. বিশ্ব
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ক্ষমতাচ্যুতির পর শেখ হাসিনার পরিবার ও ঘনিষ্ঠ স্বজনদের অবস্থান কোথায়?

Link Copied!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর তার পরিবারের সদস্য এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের অধিকাংশই দেশের বাইরে অবস্থান করছেন। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তাদের বড় একটি অংশ বর্তমানে ভারতে রয়েছেন। এছাড়া যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও কয়েকজন অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দেশত্যাগের সময় শেখ হাসিনার সঙ্গে ছিলেন তার ছোট বোন শেখ রেহানা। বিভিন্ন সূত্র বলছে, বর্তমানে তিনি লন্ডন ও ভারতের মধ্যে যাতায়াত করছেন। ওই সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকও তাদের সঙ্গে ছিলেন।

শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় আগে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছিলেন। সরকার পরিবর্তনের পর তিনি ভারতে গিয়ে মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে। অন্যদিকে, শেখ হাসিনার মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ (পুতুল), যিনি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন, তাকে দিল্লি ও দুবাইয়ে অবস্থান করতে দেখা গেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

Advertisement

শেখ রেহানার ছেলে রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক (ববি) সরকার পতনের সময় থাইল্যান্ডে ছিলেন। তার স্ত্রী ফিনল্যান্ডের নাগরিক। শেখ রেহানার মেয়ে টিউলিপ সিদ্দিক যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট সদস্য এবং দেশটির নাগরিক। অপর মেয়ে আজমিনা সিদ্দিক রূপন্তীও যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন।

পরিবারের বাইরে শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের অনেকেও দেশ ছেড়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম বর্তমানে কলকাতায় অবস্থান করছেন বলে দলীয় সূত্রের দাবি। তার ছেলে শেখ ফজলে নাঈমও সেখানে রয়েছেন। অপর ছেলে শেখ ফজলে ফাহিম সরকার পরিবর্তনের আগেই দেশ ছেড়েছিলেন।

Advertisement

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ সরকার পরিবর্তনের পর ভারত হয়ে কানাডায় যান। পরে তিনি আবার ভারতে ফিরে এসেছেন বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। শেখ ফজলুর রহমান মারুফ বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন বলেও জানা গেছে।

শেখ হাসিনার ফুফাতো ভাই আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ সরকার পরিবর্তনের আগেই ভারতে যান বলে বিভিন্ন সূত্রের দাবি। তার মেয়ে ভারতে বসবাস করেন এবং একজন ভারতীয় নাগরিককে বিয়ে করেছেন। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভারতে তার ব্যবসায়িক বিনিয়োগ ও সম্পদ রয়েছে। তার ছেলে আশিক আবদুল্লাহও বাবার সঙ্গে ভারতে গিয়েছিলেন বলে জানা যায়।

আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর বড় ছেলে সাদিক আবদুল্লাহ বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র। তিনি বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। তার বাবা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ দীর্ঘদিন বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।

এদিকে শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দীন ও শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েল বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা কলকাতার নিউ টাউন এলাকার একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে বসবাস করছেন। শেখ হেলালের ছেলে শেখ তন্ময়ও ভারতে রয়েছেন। শেখ সালাহউদ্দিন জুয়েলের স্ত্রী শাহানা ইয়াসমিন শম্পাও তার সঙ্গে আছেন। তবে শেখ হেলালের ভাই শেখ সোহেলের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

অন্যদিকে, শেখ হাসিনার স্বজনদের মধ্যে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহর ছেলে মঈন উদ্দিন আবদুল্লাহ ২০২৪ সালের অক্টোবরে ঢাকায় গ্রেপ্তার হন। তিনি মূলত ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং সক্রিয় রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন না।

দলীয় সূত্রের দাবি, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেক নেতা ও স্বজন সাতক্ষীরা, সিলেট ও ময়মনসিংহ সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন। এছাড়া রাজনৈতিক প্রভাব, প্রশাসনিক যোগাযোগ ও অর্থের বিনিময়ে অনেকে দেশ ছাড়তে সক্ষম হয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের স্বাধীন ও নিরপেক্ষ যাচাই সম্ভব হয়নি। একই সঙ্গে দলটির অনেক নেতা-কর্মী দেশ ছাড়তে না পারায় তাদের মধ্যে অসন্তোষ রয়েছে বলেও সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।