আশুলিয়ার ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকায় পাঁচ বছরের শিশু আব্দুর রহমানকে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গলায় লাল টেপ প্যাঁচানো এবং মুখের ভেতর চাল ও পলিথিন ঢোকানো অবস্থায় বস্তাবন্দি শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাসা থেকে খেলতে বের হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
ভয়েস ওভার:
বুধবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আশুলিয়ার ভাদাইল বাজার চৌরাস্তা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে খেলতে বের হয় শিশু আব্দুর রহমান। এরপর পরিবারের সদস্যরা আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি।
নিখোঁজের প্রায় তিন ঘণ্টা পর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে একই ভবনের ছাদে একটি সাদা প্লাস্টিকের বস্তা দেখতে পান বাড়িওয়ালার স্ত্রী রিনা বেগম। পরে কাছে গিয়ে বস্তার ভেতরে শিশুটির মরদেহ দেখতে পান তিনি।
এ ঘটনায় জড়িতদের ফাঁসির দাবি জানিয়েছেন নিহতের বাবা।
ভক্সপপ: নিহতের বাবা।
ভয়েস ওভার:
খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত আব্দুর রহমান জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলার বাগবাড়ি এলাকার শহিদ মিয়ার ছেলে। পরিবারের সঙ্গে আশুলিয়ার ওই বাড়ির নিচতলায় ভাড়া থাকত সে।
ঘটনার প্রায় দুই ঘণ্টা পর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে সাইফুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। তবে কী কারণে শিশুটিকে হত্যা করা হয়েছে এবং এ ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ভক্সপপ: এলাকাবাসী।
কলরেকর্ড: মো. তরিকুল ইসলাম, ওসি, আশুলিয়া থানা।
পুলিশ জানিয়েছে, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে সাইফুল ইসলাম নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
নিখোঁজ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে পাঁচ বছরের শিশুর এমন নির্মম মৃত্যুতে পরিবার ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক নেমে এসেছে। দ্রুত হত্যার রহস্য উদঘাটন করে জড়িত সবাইকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে প্রশাসনের কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
