শুক্রবার সন্ধ্যায় কুমিল্লার দেবিদ্বারে পাবলিকিয়ান অ্যাসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত পুনর্মিলনী ও ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, সমাজে কিছু সুদখোর, ঘুসখোর আছে। আর কিছু মানুষ আছে যাদের কাজই হচ্ছে সালিশ-দরবার করা। কিছু মানুষের কাজ হচ্ছে থানার চারপাশে ঘোরাফেরা করা। কিছু মানুষ তৈরি হয়েছে যারা কখনও স্কুলের ধারে কাছেও যায় না। কিন্তু তাদের টার্গেট হচ্ছে স্কুল কমিটির সভাপতি হওয়া। আসলে তাদের দোষ দিয়ে লাভ নেই, দোষটা কিন্তু আমাদের, আমরা সচেতনভাবে তাদের প্রতিহত করি না। সমাজ থেকে এসব প্রতিবন্ধকতা পরিস্কার করতে হবে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজ সংস্কার করতে হবে। সুদ-ঘুস প্রথা থেকে বেড়িয়ে আসতে হবে।
দেবিদ্বারের নেতৃত্ব প্রসঙ্গে হাসনাত বলেন, দেবিদ্বারের নেতৃত্বে তারাই দিয়েছে যারা কখনো দেবিদ্বারে থাকে নাই। যারা দেবিদ্বারের অলিগলি চেনে না। দেবিদ্বারে বাজার করে কখনও তারা খায় না। দেবিদ্বারের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কখনো তারা পড়াশোনা করে নাই। দেবিদ্বারের কী সমস্যা এটাই তারা জানে না। দেবিদ্বারের ধুলামাটি থেকে গড়ে ওঠা নেতৃত্ব আমরা কখনোই পাইনি। যদি আপনি এই ভূমির সন্তান না হন, এখানকার সমস্যা যদি আপনি না জানেন, তাহলে এই ভূমির সমস্যা আপনি কখনোই সমাধান করতে পারবেন না। ওরা মনে করে বংশের পরম্পরা মেইনটেইন করতে হবে, যার কারণে দেবিদ্বারে আসছে।

