সরকারি চাকরিজীবী স্বামী-স্ত্রীর কর্মস্থল কাছাকাছি, একই জায়গা, শহর কিংবা একই উপজেলায় রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।
মঙ্গলবার সংসদে বিরোধী দলের সদস্য মারদিয়া মমতাজের বিধি-৭১-এর আওতায় আনা জরুরি জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, কর্মজীবী মায়েদের শিশুদের যত্নে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের অধীনে বর্তমানে ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টার পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে ৪৪টি সেন্টার আগে থেকেই কার্যক্রম চালাচ্ছে এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও ২০টি সেন্টার রয়েছে।
তিনি জানান, সারাদেশে আরও ৬০টি ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপনের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। বর্তমানে পরিচালিত কেন্দ্রগুলোতে ১৫ দিন থেকে ৬ বছর বয়সী প্রায় ৪ হাজার ৫০টি শিশুকে তাদের মায়েদের কর্মঘণ্টায় রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। এসব কেন্দ্রে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত শিশুদের সেবা দেওয়া হয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার জন্য বর্তমানে ৫৩টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে ব্রেস্টফিডিং সেন্টার রয়েছে। আরও ১১টি ব্রেস্টফিডিং সেন্টার স্থাপনের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। পাশাপাশি আরও ১২টি সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।
এর ফলে পর্যায়ক্রমে মোট ৬৪টি ডে-কেয়ার সেন্টারেই ব্রেস্টফিডিংয়ের সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী।
