মূল্যায়নে অংশ নেওয়াদের ৯৩.৫৪ শতাংশ কম্পিটেন্ট, ২০ হাজারের বেশি প্রশিক্ষণার্থীর কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের তথ্য রেকর্ড
দেশের কৃষি ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের জন্য দক্ষ জনবল তৈরির লক্ষ্যে অ্যাসেট প্রকল্পের এন্টারপ্রাইজ-বেইজড ট্রেনিং (ইবিটি) কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে বাংলাদেশ অ্যাগ্রো-প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশন (বাপা)।
আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত বাপা’র আওতায় ১ হাজার ৯১৯টি ব্যাচের বিপরীতে ৪৬ হাজার ৫৬ জন প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন। ব্যাচভিত্তিক প্রশিক্ষণার্থী লক্ষ্যমাত্রার হিসাবে এ অর্জন শতভাগ।
বাপা’র ইবিটি কার্যক্রমের বড় অংশ পরিচালিত হচ্ছে টেকনিক্যাল অ্যান্ড স্কিলস ট্রেনিং প্রোগ্রাম (টিএসটিপি) এবং অ্যাপ্রেন্টিসশিপ ডুয়াল-মোড ট্রেনিং প্রোগ্রাম (এডিটিপি) পদ্ধতিতে। শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের সরাসরি সম্পৃক্ততায় পরিচালিত এসব কার্যক্রমে প্রশিক্ষণার্থীরা শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শেখার পাশাপাশি বাস্তব কর্মপরিবেশে হাতে-কলমে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন।
মূল্যায়নে অংশ নেওয়াদের ৯৩.৫৪ শতাংশ কম্পিটেন্ট
প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অর্জিত দক্ষতার মান নিশ্চিত করতে কম্পিটেন্সি অ্যাসেসমেন্টকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, বাপা’র আওতায় এ পর্যন্ত ৩০ হাজার ৮৬০ জন প্রশিক্ষণার্থী NSDA-এর অধীনে কম্পিটেন্সি অ্যাসেসমেন্টে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে ২৮ হাজার ৮৬৫ জন কম্পিটেন্ট হিসেবে মূল্যায়িত হয়েছেন।
অর্থাৎ অ্যাসেসমেন্টে অংশ নেওয়া প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে কম্পিটেন্সি অর্জনের হার ৯৩.৫৪ শতাংশ।
এন্টারপ্রাইজ-বেইজড ট্রেনিংয়ের লক্ষ্য শুধু প্রশিক্ষণার্থী ভর্তি বা কোর্স সম্পন্ন করা নয়। প্রশিক্ষণ শেষে একজন অংশগ্রহণকারী সংশ্লিষ্ট পেশায় বাস্তবে কাজ করার মতো দক্ষতা অর্জন করেছেন কি না, কম্পিটেন্সি অ্যাসেসমেন্টের মাধ্যমে সেটিও যাচাই করা হচ্ছে।
ইবিটি কার্যক্রমে ফলাফল পর্যবেক্ষণের ধারাটি হচ্ছে—
এনরোলমেন্ট → ট্রেনিং → অ্যাসেসমেন্ট → কম্পিটেন্সি → এমপ্লয়মেন্ট
২০ হাজারের বেশি প্রশিক্ষণার্থীর কর্মসংস্থানের তথ্য রেকর্ড
বাপা’র আওতায় এখন পর্যন্ত ২০ হাজার ৮০৫ জন প্রশিক্ষণার্থীর কর্মসংস্থান অথবা আত্মকর্মসংস্থানের তথ্য রেকর্ড হয়েছে।
তবে বিভিন্ন সাইকেলের প্রশিক্ষণ, অ্যাসেসমেন্ট এবং প্রশিক্ষণ-পরবর্তী কর্মসংস্থান ট্র্যাকিং এখনো চলমান। ফলে এ সংখ্যাকে এখনই চূড়ান্ত কর্মসংস্থান ফলাফল হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। চলমান কার্যক্রম শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কর্মসংস্থানের তথ্য আরও হালনাগাদ হবে।
ইবিটি কার্যক্রমে নিয়মিত চাকরির পাশাপাশি আত্মকর্মসংস্থান, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা কার্যক্রম এবং অন্যান্য আয়মূলক কাজকেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
অ্যাগ্রো-প্রসেসিং খাতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প, উৎপাদন ইউনিট, বেকারি, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, প্যাকেজিং, বিক্রয় এবং সংশ্লিষ্ট সেবাখাতে কাজের সুযোগ থাকায় প্রশিক্ষণ-পরবর্তী কর্মসংস্থানের ধরনও বৈচিত্র্যময়।
নারী প্রশিক্ষণার্থী ২৬ হাজারের বেশি
বাপা’র ইবিটি কার্যক্রমে নারীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য।
মোট ৪৬ হাজার ৫৬ জন প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে ২৬ হাজার ৯৬ জন নারী এবং ১৯ হাজার ৯৬০ জন পুরুষ। অর্থাৎ মোট প্রশিক্ষণার্থীর ৫৬.৬৬ শতাংশ নারী।
সংখ্যার হিসাবে পুরুষের তুলনায় নারী প্রশিক্ষণার্থী ৬ হাজার ১৩৬ জন বেশি।
একই সঙ্গে অন্তর্ভুক্তিমূলক দক্ষতা উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বাপা’র প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে ৫৬ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং ৫৫৮ জন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সদস্য অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।
অ্যাগ্রো-ফুড প্রসেসিং, বেকিং, ফুড প্রিজারভেশন, প্যাকেজিং মেশিন অপারেশন, সেলস প্রফেশনাল এবং রিটেইল সেলস অপারেশনের মতো বিভিন্ন অকুপেশন নারীদের প্রাতিষ্ঠানিক চাকরির পাশাপাশি উদ্যোক্তা হওয়া ও আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগও তৈরি করছে।
বড় শিল্পপ্রতিষ্ঠান সরাসরি প্রশিক্ষণে যুক্ত
বাপা’র ইবিটি কার্যক্রমের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো, প্রশিক্ষণ শুধু প্রচলিত ট্রেনিং সেন্টারনির্ভর নয়। অনেক ক্ষেত্রেই শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং ইন্ডাস্ট্রি-লিংকড এসটিপি ও আইএসটিপি সরাসরি প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে যুক্ত রয়েছে।
বাপা’র উল্লেখযোগ্য এসটিপি ও আইএসটিপির মধ্যে রয়েছে আকিজ-গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টার, ধামরাই ও টঙ্গী; প্রাণ-গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টারসমূহ—নরসিংদী, নাটোর, গাজীপুর, গোদাগাড়ী, হবিগঞ্জ, সিলেট, রাজশাহী, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও দিনাজপুর; হাশেম ফুডস লিমিটেড, রূপসী, রূপগঞ্জ; টি. কে. গ্রুপ গ্লোবালের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহ—রংপুর, গাজীপুর ও চট্টগ্রাম; মেঘনা গ্লোবালের প্রশিক্ষণ কেন্দ্র; ওয়েল ফুডস গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টার; রানি ফুড ট্রেনিং সেন্টার; ফুলকলি গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টারসমূহ—সিলেট ও চট্টগ্রাম; বনফুল ও কিষোয়ান গ্রুপের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রসমূহ—চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট ও নাটোর; লালমাই গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টার এবং দেশবন্ধু গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টার।
এ ছাড়া প্রাণ-বঙ্গ বেকার্স লিমিটেড, বরিশাল এবং প্রাণ গ্রুপের বিভিন্ন অ্যাগ্রো-প্রসেসিং ও ফুড ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটও এ প্রশিক্ষণ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত।
নারায়ণগঞ্জের মেঘনা নুডলস অ্যান্ড বিস্কুট ফ্যাক্টরি, আকিজ ফুড অ্যান্ড বেভারেজেস লিমিটেড, আকিজ বেকার্স লিমিটেড, লালমাই ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড, ড্যানিশ ফুডস লিমিটেড, সাজীব গ্রুপ, ওয়েল ফুডস অ্যান্ড বেভারেজেস লিমিটেড, বনফুল অ্যান্ড কো. লিমিটেড, কিষোয়ান স্ন্যাকস লিমিটেড, কিষোয়ান অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড, ফুলকলি ব্রেড অ্যান্ড বিস্কুট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড, প্যারাগন অ্যাগ্রো লিমিটেড, ইফাদ মাল্টি ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড এবং পিওরিয়া ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডসহ আরও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে।
এসব প্রতিষ্ঠান ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে ফুড প্রসেসিং, প্যাকেজিং মেশিন অপারেশন, ফুড কোয়ালিটি কন্ট্রোল, বেকিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেকিং, ফুড প্রিজারভেশন এবং সেলস প্রফেশনালসহ বিভিন্ন অকুপেশনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত এ প্রশিক্ষণ পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণার্থীরা উৎপাদন প্রক্রিয়া, যন্ত্রপাতির ব্যবহার, কর্মক্ষেত্রের নিরাপত্তা, মান নিয়ন্ত্রণ এবং বাস্তব শিল্পপরিবেশ সম্পর্কে হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জন করছেন।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিল্পভিত্তিক প্রশিক্ষণ
বাপা’র প্রশিক্ষণ কার্যক্রম ঢাকা বা কোনো একটি শিল্পাঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।
ধামরাইয়ের আকিজ-গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টারে ফুড প্রসেসিং, প্যাকেজিং মেশিন অপারেশন, ফুড কোয়ালিটি কন্ট্রোল ও বেকিংয়ের মতো অকুপেশনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
নরসিংদীর প্রাণ (পিআইপি)-গ্লোবাল ট্রেনিং সেন্টারে ফুড প্রসেসিং, প্যাকেজিং মেশিন অপারেশন এবং ফুড কোয়ালিটি কন্ট্রোলের মতো শিল্পসংশ্লিষ্ট অকুপেশন রয়েছে।
রূপগঞ্জের হাশেম ফুডস লিমিটেড-সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণে বেকিং, ফুড প্রসেসিং, প্যাকেজিং মেশিন অপারেশন ও ফুড কোয়ালিটি কন্ট্রোল অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
রংপুরের প্রাইম পুষ্টি লিমিটেডে ফুড প্রসেসিং, প্যাকেজিং মেশিন অপারেশন, ফুড কোয়ালিটি কন্ট্রোল এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেকিংয়ের মতো দক্ষতায় প্রশিক্ষণ পরিচালিত হচ্ছে।
প্রাণ গ্রুপের বরিশাল, গাজীপুর, নাটোর, নরসিংদী, হবিগঞ্জ, বগুড়া, সিলেট, রাজশাহী ও পাবনা অঞ্চলের বিভিন্ন উৎপাদন ইউনিট ও প্রশিক্ষণ সুবিধাও বাপা’র ইবিটি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত।
ফলে শিল্পভিত্তিক দক্ষতা প্রশিক্ষণ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এবং ভিন্ন ভিন্ন খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ পরিবেশে ছড়িয়ে পড়েছে।
ভবিষ্যতের দক্ষতায় নতুন গুরুত্ব
বর্তমান প্রশিক্ষণের পাশাপাশি অ্যাসেট প্রকল্পের বর্ধিত মেয়াদে পরিবর্তিত প্রযুক্তি ও শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ফিউচার অব ওয়ার্ক অকুপেশনে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এনএসডিএ কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ফিউচার অব ওয়ার্ক তালিকায় অ্যাগ্রো-ফুড সেক্টরের জন্য ফুড প্রসেসিং লেভেল-৩ ও লেভেল-৪, ফুড কোয়ালিটি কন্ট্রোল লেভেল-৩, ডোমেস্টিক ফুড প্রিজারভেশন লেভেল-৩, সেলস প্রফেশনাল লেভেল-৩, বেকিং লেভেল-৩ এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেকিং লেভেল-৩ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
দেশের খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্প আধুনিক হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাধারণ উৎপাদনকর্মীর পাশাপাশি কোয়ালিটি কন্ট্রোল, অটোমেটেড প্যাকেজিং, ইন্ডাস্ট্রিয়াল বেকিং, প্যাকেজিং মেশিন অপারেশন, প্রোডাকশন সুপারভিশন এবং উচ্চতর ফুড প্রসেসিং দক্ষতার চাহিদাও বাড়ছে।
বর্ধিত প্রকল্প মেয়াদে শ্রমবাজারের চাহিদা, প্রযুক্তিগত পরিবর্তন এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রয়োজন বিবেচনায় এসব দক্ষতার প্রশিক্ষণ আরও সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রশিক্ষণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের পর গুরুত্ব অ্যাসেসমেন্ট ও কর্মসংস্থানে
বাপা ব্যাচভিত্তিক প্রশিক্ষণার্থী লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ অর্জন করেছে। তবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করাই চূড়ান্ত সাফল্য নয়।
৪৬ হাজার ৫৬ জন প্রশিক্ষণার্থীর বিপরীতে এখন পর্যন্ত ৩০ হাজার ৮৬০ জন অ্যাসেসমেন্টে অংশ নিয়েছেন। ফলে চলমান ও সদ্য শেষ হওয়া ব্যাচগুলোর যোগ্য প্রশিক্ষণার্থীদের অ্যাসেসমেন্ট সম্পন্ন করা এখন অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার।
একইভাবে ২৮ হাজার ৮৬৫ জন কম্পিটেন্ট প্রশিক্ষণার্থীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ২০ হাজার ৮০৫ জনের কর্মসংস্থান বা আত্মকর্মসংস্থানের তথ্য রেকর্ড হয়েছে।
কর্মসংস্থানের উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে প্রাণ গ্রুপের বিভিন্ন শিল্পপার্ক ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানে ১০ হাজারের বেশি, আকিজ গ্রুপে ৫৫৬ জন, মেঘনা গ্রুপে ৪০৮ জন, টি. কে. গ্রুপে ১ হাজার ১০৪ জন, বনফুল ও কিষোয়ান গ্রুপে ৯১২ জন এবং হাশেম ফুডসে ২৮৮ জন প্রশিক্ষণার্থী চাকরিতে যুক্ত হয়েছেন। অন্যান্য প্রশিক্ষণার্থীরাও বাপা’র আওতাধীন বিভিন্ন অ্যাগ্রো-ফুড প্রসেসিং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন।
বাপা’র অগ্রাধিকার
আগামী পর্যায়ে বাপা বিশেষভাবে গুরুত্ব দেবে—
- প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারী যোগ্য প্রশিক্ষণার্থীদের দ্রুত কম্পিটেন্সি অ্যাসেসমেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা;
- উচ্চ কম্পিটেন্সি হার বজায় রাখা;
- শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এমপ্লয়ার লিংকেজ আরও শক্তিশালী করা;
- কম্পিটেন্ট প্রশিক্ষণার্থীদের চাকরিতে প্লেসমেন্ট বাড়ানো;
- আত্মকর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা কার্যক্রম উৎসাহিত করা;
- কর্মসংস্থানের তথ্য যাচাই ও নিয়মিত ফলোআপ করা; এবং
- ভবিষ্যৎ শ্রমবাজারের জন্য উচ্চতর ও প্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতার প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণ করা।
বাপা’র সভাপতি জনাব মাহবুব আনাম বলেন,
“অ্যাসেট প্রকল্পের এন্টারপ্রাইজ-বেইজড ট্রেনিং কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের অ্যাগ্রো-ফুড ও খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের জন্য দক্ষ জনবল তৈরির একটি বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের আওতায় ৪৬ হাজারের বেশি প্রশিক্ষণার্থী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছেন এবং মূল্যায়নে অংশ নেওয়াদের ৯৩.৫৪ শতাংশ কম্পিটেন্ট হয়েছেন—এটি উৎসাহব্যঞ্জক। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য হলো এই দক্ষতাকে বাস্তব কর্মসংস্থান, আত্মকর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধিতে রূপান্তর করা।”
তিনি আরও বলেন,
“বাপা’র সদস্য শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে আরও শক্তিশালী সংযোগ তৈরির মাধ্যমে কম্পিটেন্ট প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।”
বাপা’র ইবিটি কার্যক্রম এক নজরে
| সূচক | অগ্রগতি |
| প্রশিক্ষণ সম্পন্ন | ৪৬,০৫৬ জন |
| ব্যাচভিত্তিক প্রশিক্ষণ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন | ১০০% |
| নারী প্রশিক্ষণার্থী | ২৬,০৯৬ জন |
| নারী অংশগ্রহণ | ৫৬.৬৬% |
| পুরুষ প্রশিক্ষণার্থী | ১৯,৯৬০ জন |
| অ্যাসেসমেন্টে অংশগ্রহণ | ৩০,৮৬০ জন |
| কম্পিটেন্ট | ২৮,৮৬৫ জন |
| কম্পিটেন্সি হার | ৯৩.৫৪% |
| রেকর্ডকৃত কর্মসংস্থান/আত্মকর্মসংস্থান | ২০,৮০৫ জন |
| প্রতিবন্ধী প্রশিক্ষণার্থী | ৫৬ জন |
| ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রশিক্ষণার্থী | ৫৫৮ জন |
