প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ ও প্রতিবেদকের বক্তব্য
গত ২৮ অক্টোবর ২০২৪ তারিখ সোমবার জনপ্রিয় অনলাইন পোর্টাল “দেশ সময়” এ
সমন্বয়করে নামে মোহাম্মদপুরে চলছে চাঁদাবাজি নতুন ত্রাস “আনন্দ বাহিনী” শীর্ষক শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেই সংবাদটির প্রতিবাদ জানিয়েছেন নূরজাহান রোডরে বাইতুল ফজল মসজিদ কমিটির কোষাধ্যক্ষ আক্তার । সংবাদটিকে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে আখ্যা দিয়েছেন তিনি। একই সাথে অফিসে পাঠানো এক মেইলে তিনি প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়ারও হুমকি দিয়েছেন।
প্রতিবেদকের বক্তব্য-
শেখ মোহাম্মদ শাহরিয়ার আনন্দ দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় ছাত্রলীগ পরিচয় দিয়ে আসলেও ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর তিনি নিজেকে সমন্বয়ক পরিচয় দিয়ে আসছেন মর্মে একাধিক স্বাক্ষ্য প্রমাণ প্রতিবেদকের কাছ রয়েছে। তাছাড়া এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, এই পরিচয় দিয়ে তিনি এলাকার দোকান্দারদের হয়রানি করছেন। শুধু তাই নয়, ফুটপাতে কে দোকান বসাবে, আর কে বসাবে না, সেটিও নির্ধারণ করছেন তিনি। এসব অভিযোদের বিষয়ে জানতে তার নাম্বারে ফোন করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তার বক্তব্য পাওয়া গেলে হয়তো সংবাদটি এভাবে একতরফা হতো না। শেখ মোহাম্মাদ শাহরিয়ার আনন্দ ঠিকই ফোন করেছেন। তবে সেটি সংবাদ প্রকাশের প্রায় সাত ঘণ্টা পরে। তিনি প্রতিবেদকের কাছে স্বীকার করেন যে, ছাত্রলীগের কোনো পদ-পদবী না থাকলেও ছাত্রলীগের সাথে তার ওঠাবসা ছিল। তার বন্ধুদের অনেকেই ছাত্রলীগ করতেন বলেও জানান তিনি। সমন্বয়ক পরিচায় দেয়া প্রসঙ্গে জানতে চাইলে তিনি জানান, ইউল্যাব থেকে তাকে সমন্বয়ক হওয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছিলো তিনি তা গ্রহণ করেননি। সমন্বয়ক পরিচায় দেয়া আর সমন্বয়ক হওয়ার প্রস্তাব দেয়া বিষয়টি এক নয়।

তার চাচা জনাব আক্তার নূরজাহান রোডরে বাইতুল ফজল মসজদি কমিটির কোষাধ্যক্ষ। কোষাধ্যক্ষ হসিবেে তার বরিুদ্ধে ব্যাপক র্আথকি অনিয়মের অভিযোগ করছেনে মসজদিরে একাধকি মুসল্লী ও সংশ্লষ্টিরা। এই অভিযোগ সংক্রান্ত যাবতীয় রেকর্ড প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত । এছাড়া মহল্লার দোকান উচ্ছদেে তার স্ব-শরীর অংগ্রহণরে ভিডিও সংরক্ষিত আছে।
