ঢাকাFriday , 22 May 2026
  1. অপরাধ
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আবহাওয়া
  5. ইসলাম
  6. খুলনা বিভাগ
  7. খেলা
  8. চট্টগ্রাম বিভাগ
  9. চাকরি
  10. ঢাকা বিভাগ
  11. ধর্ম
  12. প্রযুক্তি সময়
  13. বরিশাল বিভাগ
  14. বানিজ্য
  15. বাংলাদেশ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

রামিসা ধর্ষণ-হত্যার পর আলোচনায় ১২ মিনিটের এই শর্টফিল্ম, কারণ কী?

দেশ সময়
May 22, 2026 3:08 pm
Link Copied!

রাজধানীর পল্লবীতে ৮ বছরের শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দেশজুড়ে ক্ষোভ ও শোকের সৃষ্টি হয়েছে। নৃশংস এ ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে ২০১৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘দ্য ডিসাপিয়ারেন্স অব উইলি বিংহাম’।

Advertisement

পরিচালক ম্যাথিউ রিচার্ডস নির্মিত ১২ মিনিটের এই শর্টফিল্মে ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে দণ্ডিত এক অপরাধীর ওপর ভয়াবহ শাস্তি কার্যকরের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। চলচ্চিত্রটি মূলত বিচারব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, ভুক্তভোগী পরিবারের মানসিক যন্ত্রণা, প্রতিশোধস্পৃহা এবং মানবিকতার প্রশ্নকে সামনে আনে।

গল্পে দেখা যায়, স্বল্পদৈর্ঘ্যের চলচ্চিত্রটিতে, নিষ্পাপ এক বাচ্চা মেয়েকে ধর্ষণ ও নির্মমভাবে খুন করে উইলি বিংহাম নামের এক ভয়ংকর অপরাধী। তবে ওই দেশ থেকে মৃত্যুদণ্ডের শাস্তি উঠে যাওয়ায় ‘প্রগ্রেসিভ অ্যামপুটেশন’ নামের এক নতুন ধরণের শাস্তির মুখোমুখি করা হয় তাকে।

Advertisement

নতুন এ শাস্তিতে ধাপে ধাপে ধর্ষকের শরীরের অঙ্গ কেটে নেওয়া হয়। প্রতিবার একটা সার্জারির পর দোষী সাব্যস্ত আসামি সুস্থ হলে তাকে আবার অপারেশন টেবিলে ছুড়ি-কাঁচির নিচে আনা হয়। সচ্ছ কাঁচের জানালা দিয়ে তা দেখতে পান ভুক্তভোগীর বাবা। যতক্ষণ না অপরাধীর প্রতি ভুক্তভোগীর পরিবারের মায়া জন্মায় ততদিন পর্যন্ত ধাপে ধাপে হাত-পা-নাক-কানসহ শরীরের বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ অঙ্গও কেটে নেওয়া হতে থাকে।

আর প্রতিটি অপারেশনে অপরাধীর অঙ্গ কেটে নেওয়া গ্লাসের অপর পাশ থেকে দেখতে থাকে ভুক্তভোগীর পুরো পরিবার।

Advertisement

এরপর অন্যদের সাবধান করতেই হুইলচেয়ারে করেই অবাধ্য ও বখাটে কিশোরদের সামনে তাকে উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়। এ ছাড়া উইলিকে দিয়ে দেওয়ানো হয় বক্তৃতা, যাতে তার এই পরিণতি দেখে অন্য কেউ এমন অপরাধ করার সাহস না পায়। 

শেষ পর্যন্ত শাস্তি শুরুর পাঁচ মাস পর পঞ্চম বারের অস্ত্রোপচারে ভুক্তভোগীর বাবার অনুমতিতে কেটে ফেলা হয় উইলির যৌনাঙ্গ। পুরুষত্ব হারিয়ে উইলি আর কোনো দিন কথা বলেননি। এমনকি সার্জারির আগে তিনি যে কান্নাকাটি আকুতি করতেন তাও বন্ধ হয়ে যায় চিরতরে। 

এরপরের সার্জারিতে কেটে নেওয়া হয় তার দুই কান, নাক এবং জিহ্বার অগ্রভাগ। লেজার দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয় শরীরের চামড়া। এমন সময় উইলি ছিলেন শুধুই মৃত্যুর কামনায়। 

অবশেষে আসে কাঙ্ক্ষিত সেই দিন। অপারেশন থিয়েটারের টেবিলে পড়ে থাকা উইলি নামের ‘মাংসপিণ্ডটা’র দিকে তাকিয়ে ভুক্তভোগীর বাবার চোখে দেখা যায় তৃপ্তির চাহনি। এ ধাপে উইলির হার্ট বা ব্রেন সার্জারি করা হবে। সে ঢলে পড়বে মৃত্যুর কোলে। তবে সবাইকে অবাক করে এই সার্জারিতে অনুমতি দিলেন না ভুক্তভোগীর বাবা। তিনি কর্তৃপক্ষের বাড়িয়ে দেওয়া ফাইলে স্বাক্ষর করে এ অবস্থায় রেখে দেন উইলিকে। 

এই সমাপ্তির মধ্য দিয়ে প্রতিশোধ, ন্যায়বিচার ও মানবিকতার জটিল প্রশ্ন দর্শকদের সামনে তুলে ধরা হয়।

শর্টফিল্মটিতে উইলি বিংহামের চরিত্রে অভিনয় করেছেন কেভিন ডি। ভুক্তভোগীর বাবার ভূমিকায় ছিলেন টিম ফেরিসএবং প্রশাসনিক কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করেন গ্রেগরি জে. ফ্রায়ার।

এদিকে রামিসা হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তির দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জোরালো হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই বলছেন, এমন ভয়াবহ অপরাধের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা জরুরি। সেই কারণেই পুরোনো এই শর্টফিল্মটি আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে।

এই সাইটে নিজম্ব নিউজ তৈরির পাশাপাশি বিভিন্ন নিউজ সাইট থেকে খবর সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট সূত্রসহ প্রকাশ করে থাকি। তাই কোন খবর নিয়ে আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে সংশ্লিষ্ট নিউজ সাইটের কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করার অনুরোধ রইলো।বিনা অনুমতিতে এই সাইটের সংবাদ, আলোকচিত্র অডিও ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি।