বিতর্কিত ও দখলকৃত সম্পত্তিতে স্টুডিও নির্মাণ এবং যাচাই-বাছাই ছাড়া একটি ঘটনার দায় উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপির ওপর চাপানোর অভিযোগে কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ছাত্রদল নেতা আমনুল্লাহ আমান।
অনভিপ্রেত ওই ঘটনার পর বিএনপির ইমেজ ক্ষুণ্ন করার প্রতিবাদে সালমান মুক্তাদিরকে প্রকাশ্যে ও শর্তহীন ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
এক সংবাদ সম্মেলনে আমানুল্লাহ আমান বলেন, রাজধানীর একটি বিতর্কিত প্রপার্টি দখল এবং তা কেন্দ্র করে দুই পক্ষের দ্বন্দ্বে ক্যান্টনমেন্ট থানা জামায়াতের এক রোকন সদস্য (নাজিমুদ্দিন ভূঁইয়া) ও অপর এক পক্ষ জড়িত থাকলেও এতে বিএনপির কোনো সম্পৃক্ততা বা অস্তিত্ব নেই। তবুও স্টুডিও ভাঙচুরের পর সালমান মুক্তাদির লাইভে এসে সরাসরি বিএনপিকে চাঁদাবাজ হিসেবে ফ্রেমিং করে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়েছেন।
সালমান মুক্তাদিরের কাছে প্রশ্ন রেখে এ নেতা বলেন, তিনি কি জেনেশুনে ওই বিতর্কিত ও দখলকৃত প্রপার্টিতে এত টাকা বিনিয়োগ করে স্টুডিও নির্মাণ করেছিলেন? বিনামূল্যে বা কম ভাড়ায় সুবিধা নিতে এবং জায়গাটি দখলের ঢাল হিসেবে তাকে ব্যবহার করা হয়েছে কি না, অথবা তিনি নিজে কারও ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছেন কি না?
তবে একই সঙ্গে তিনি বলেন, যে প্রক্রিয়ায় স্টুডিওটি ভাঙচুর করা হয়েছে, সেটি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
আমানউল্লাহ আমান অভিযোগ করেন, বিএনপিকে চাঁদাবাজির সঙ্গে যুক্ত করে একটি নির্দিষ্ট ‘ফ্রেমিং’-এর মধ্যে নিয়ে আসা হয়েছে। এর ফলে দল হিসেবে বিএনপি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং মানুষের কাছে ভুল বার্তা গেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ভূমিকা রাখা সালমান মুক্তাদির যদি সততা ও সাহসিকতার পরিচয় দিতে চান, তবে তাকে সংবাদ সম্মেলন বা লাইভে এসে এই অসত্য বক্তব্যের ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া একটি রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। অন্যথায় তার ছড়ানো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে আইনি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


